সূর্যগ্রহণের পর এবার চন্দ্রগ্রহণ, কখন ও কোথায় দেখা যাবে?


৩ মার্চ বাংলাদেশের আকাশে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে, যা রক্ত চাঁদ নামে পরিচিত। ছবি সংগৃহীত
সাম্প্রতিক সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় দেখা যায়নি। এবার ৩ মার্চ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (রক্ত চাঁদ) দেখা যাবে। বাংলাদেশসহ ভারতের আকাশে খালি চোখে উপভোগ করা সম্ভব হবে, যদিও সময়কাল কম।
চন্দ্রগ্রহণ ঘটে যখন পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মধ্যে অবস্থান করে। তখন সূর্যের আলো চাঁদে পৌঁছাতে পারে না এবং পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ায় তা অর্ধেক বা পুরোপুরি অন্ধকারিত হয়। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের রঙ লাল হয়ে যায়, তাই এটিকে ‘রক্ত চাঁদ’ (Blood Moon) বলা হয়।
কবে এবং কোথায় দেখা যাবে?
বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বিকাল ৫:২৮ মিনিটে এবং শেষ হবে সন্ধ্যা ৬:০২ মিনিটে। খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ রাত ৮:২৩ পর্যন্ত দেখা যাবে।
ভারতে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে বিকাল ৪:৫৮ থেকে ৫:৩২ পর্যন্ত। আমেরিকার পশ্চিমাঞ্চলে ভোর ৪:০৪ থেকে ৫:০২ পর্যন্ত দেখা যাবে। পৃথিবীর রাত থাকা যে কোনো অঞ্চলে এই মহাজাগতিক ঘটনা প্রত্যক্ষ করা সম্ভব।
কেন চাঁদের রঙ লাল হয়?
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ পুরোপুরি কালো দেখা যায় না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল সূর্যের আলোকে ছড়িয়ে দেয়। সূর্যরশ্মির নীল অংশ ছড়িয়ে গেলে লাল অংশ চাঁদের ওপর পড়তে থাকে। তাই চাঁদ গাঢ় লাল দেখায়।
চন্দ্রগ্রহণের বৈশিষ্ট্য
চন্দ্রগ্রহণ দীর্ঘ সময় ধরে চলে। পূর্ণগ্রাস পর্যায় প্রায় ৫৮ মিনিট ১৫ সেকেন্ড স্থায়ী হয়। সূর্যগ্রহণের মতো খালি চোখে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায় এবং এটি পুরো পরিবার ও শিক্ষার্থীদের জন্য দারুণ ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা।
৩ মার্চ বাংলাদেশের আকাশে সন্ধ্যায় এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দৃশ্যমান হবে। আগ্রহীরা খালি চোখে বা নিরাপদ টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এটি উপভোগ করতে পারবেন।










