তারেক রহমানের ১০ উপদেষ্টার দায়িত্ব চূড়ান্ত, কার হাতে কোন মন্ত্রণালয়?


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের উপদেষ্টাদের দায়িত্ব বণ্টন ঘোষণা। ছবি সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর নিয়োগপ্রাপ্ত ১০ উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানায়। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগ পাওয়া এসব উপদেষ্টার দায়িত্ব নির্ধারণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রীর পদমর্যাদায় তিনজনকে রাজনৈতিক উপদেষ্টা করা হয়েছে। তারা হলেন মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান এবং রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ। এছাড়া মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এবং রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগপ্রাপ্ত উপদেষ্টাদের মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি পূর্বে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দলীয় মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
এদিকে রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। ডা. জাহেদ উর রহমানকে পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি সংক্রান্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় এই ১০ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সময়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে উপদেষ্টারা এখন নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সরকারের নতুন মেয়াদে প্রশাসনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এই দপ্তর বণ্টন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, দায়িত্ব নির্ধারণের পর দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম বাস্তবায়নে গতি আসবে।









