অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টে অনিয়ম রোধে নতুন পদক্ষেপ


অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টে অনিয়ম রোধে নতুন পদক্ষেপ। ছবি: সংগৃহীত
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের অবসর সুবিধা বোর্ড এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে বিভিন্ন অনিয়ম লক্ষ্য করা গেছে। এ অনিয়ম রোধের জন্য আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসেবে অস্থায়ী পদধারীর পরিবর্তে একজন স্থায়ী পদধারী কর্মকর্তাকে অর্থ উত্তোলনের ক্ষমতা ন্যস্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, পরিচালনা পর্ষদ পূর্বে অবসর বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের স্থায়ী তহবিলের টাকা জাতীয়করণকৃত ব্যাংকে জমা না রেখে বেসরকারি দুর্বল ব্যাংকে জমা রাখা, ভূয়া ইনডেক্স সৃষ্টি, একই ইনডেক্সের বিপরীতে একাধিকবার অবসর সুবিধা প্রদানসহ বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত ছিল। বিষয়টি সামনে আসায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বিশেষ নিরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে।
নিরীক্ষায় এসব অনিয়ম চিহ্নিত হওয়ায় বোর্ডের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসেবে স্থায়ী পদধারী কর্মকর্তাকে অর্থ উত্তোলনের দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। তদনুযায়ী প্রস্তাবিত অধ্যাদেশে স্থায়ী পদধারী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচালককে পরিষদের সদস্য সচিব করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
এছাড়া, যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে বিদ্যমান ২১ জন সদস্য বহাল রেখে নতুন চারজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন:
ক. মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর;
খ. চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা;
গ. কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের একজন মনোনীত কর্মকর্তা;
ঘ. পরিচালক, অবসর সুবিধা বোর্ড/কল্যাণ ট্রাস্ট, যিনি সদস্য সচিবও হবেন।
প্রস্তাবিত পরিবর্তন ও পদক্ষেপের মাধ্যমে বোর্ড ও ট্রাস্টের স্বচ্ছতা, অর্থ উত্তোলনের নিরাপত্তা এবং সঠিক প্রশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।




