যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক ও বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের মন্তব্য

জাতীয় ডেস্ক
জাতীয় ডেস্ক
২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ৮:৩৮ এএম
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ও বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। ছবি সংগৃহীত

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ও বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। ছবি সংগৃহীত

ঢাকা, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যচুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো এখনও বিকাশমান এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি পর্যালোচনা শেষে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক সংক্রান্ত পরিস্থিতি এখনো ইংরেজিতে যেটাকে আমরা বলি ‘ইভলভিং সিনারিও’। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পর তারা বিভিন্ন ধাপে ট্যারিফ ঘোষণা করেছে। তবে আমাদের হাতে এখনও কোনো লিখিত সরকারি নথি পৌঁছায়নি। তাই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, “বিগত সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তবে এর পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন বিষয় আছে। আমরা সেগুলো পর্যালোচনা করে করণীয় ঠিক করব।”

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, “চুক্তির আলোচনায় কিছু নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট ছিল। এটি একটি সেনসিটিভ বিষয়। তাই বিকাশমান পরিস্থিতিতে অনাকাঙ্খিত মন্তব্য করা ঠিক হবে না।”

বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে শুল্ক ও চুক্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা ও পরামর্শ গ্রহণের কথাও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনায় দেখেছি কোন সেক্টরে কি সমস্যা রয়েছে। এসব বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

বর্তমান দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তদারকিতে থাকা আমদানি পণ্যের দাম বাজারে স্বাভাবিক রয়েছে। তবে রমজানে একসঙ্গে বাজার কেনার ফলে কিছু সবজি ও ফলের দাম সাময়িকভাবে বেড়ে যায়, যা পরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।