মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালে ১৩ সেনা কর্মকর্তা


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ প্রাঙ্গণে কড়া নিরাপত্তায় আনা হয় অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি গুম ও নির্যাতন সংক্রান্ত মামলায় আজ ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে হাজির করা হয়েছে। সকালে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় অতিরিক্ত সেনা সদস্য ও বিজিবি মোতায়েন করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। নির্ধারিত সময় সকাল ১০টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই প্রিজনভ্যানে করে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনে পুলিশ। পরে একে একে অভিযুক্তদের হাজতখানায় নেওয়া হয়।
উল্লেখিত মামলাগুলোর পাশাপাশি জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা আরেকটি মামলাসহ মোট তিন মামলায় ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গত ৮ অক্টোবর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইদিন এসব মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ফরমাল চার্জ দাখিল করে।
এর পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীর হেফাজতে থাকা ১৫ কর্মকর্তা গত ২২ অক্টোবর বিশেষ প্রিজনভ্যানে করে সাধারণ পোশাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন এবং পরে তাদের ঢাকা সেনানিবাসে ঘোষিত সাব-জেলে স্থানান্তর করা হয়।
গুম-নির্যাতনের দুটি মামলায় পলাতক আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য বাংলা ও ইংরেজি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। নির্দেশনা অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তিগুলো এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে, যা মামলার কার্যক্রমে পরবর্তী ধাপ হিসেবে বিবেচিত।
এর আগে পৃথক দুই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকসহ মোট ৩০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এসব মামলার অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ঘনিষ্ঠ নজরদারির মধ্যে রয়েছে।




