মঈন খানকে স্পিকার করা হতে পারে? রাজনৈতিক আলোচনা

জাতীয় ডেস্ক
জাতীয় ডেস্ক
২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ১১:০৯ এএম
স্পিকার পদে আলোচনায় বিএনপির নেতা ড. আবদুল মঈন খান। ছবিঃ সংগৃহীত

স্পিকার পদে আলোচনায় বিএনপির নেতা ড. আবদুল মঈন খান। ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে নতুন স্পিকার নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে। বিদায়ী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় এবার অধিবেশনের সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। তার সভাপতিত্বেই সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী স্থান পেলেও দলের স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এখনো কোনো দায়িত্ব পাননি। এ কারণে স্পিকার পদে তাকে বিবেচনা করা হতে পারে—এমন আলোচনা রাজনৈতিক মহলে ছড়িয়েছে।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হলেও প্রবীণ এই নেতা এখনো বাইরে রয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নরসিংদী-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে তাকে সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে দেখা যেতে পারে—এমন ধারণা তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, স্পিকার পদে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারবেন।

ড. মঈন খানের ঘনিষ্ঠজনরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভা গঠনের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তাকে সম্মানজনক কোনো সাংবিধানিক পদে রাখা হতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত বা নিশ্চিত তথ্য এখনো তাদের কাছে নেই।

সংবিধান অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে হয় এবং প্রথম অধিবেশনেই স্পিকার নির্বাচন করা হয়। সাধারণত বিদায়ী স্পিকার নতুন স্পিকার নির্বাচনের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। কিন্তু পদত্যাগের কারণে এবার সেই বিধান অনুসরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, স্পিকার পদে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। সংসদের প্রথম অধিবেশন ঘিরে তাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়তি কৌতূহল তৈরি হয়েছে।