Something went wrong

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূসের বার্তা: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন

জাতীয় ডেস্ক
জাতীয় ডেস্ক
২০ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ৪:৫১ এএম
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস দেশের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। ছবি:সংগৃহীত

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস দেশের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। ছবি:সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন, যাতে তিনি সকল নাগরিককে গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশের উদ্দেশ্যে দেওয়া বার্তায় প্রফেসর ইউনূস বলেন, “আগামী নির্বাচনে গণভোটেও অংশ নিন। রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশামতো গড়ে তোলার জন্য ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিন। নিজে ভোট দিন, আপনার পরিচিতদেরও উৎসাহিত করুন এবং তাদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসুন। দেশ পাল্টে দিন।”

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন। এর ফলে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যে কিছু সংস্কার বাস্তবায়িত হলেও আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বলেন, “এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে। গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পরিবর্তনের জন্য জনগণের সম্মতি নিতে হবে। বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হবেন। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।”

প্রফেসর ইউনূস আরও উল্লেখ করেন, পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠন এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষাকেও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা হবে।

তিনি সবশেষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, “ইনশাআল্লাহ সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নেবো।” গণভোট অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন, ১২ ফেব্রুয়ারি।

Advertisement