আইনজীবী নাঈম কিবরিয়া হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার


র্যাব কর্মকর্তারা নাঈম কিবরিয়া হত্যার মূল আসামি জোবায়ের হোসেন পাপ্পুকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের হেফাজতে। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইনজীবী নাঈম কিবরিয়ার হত্যার ঘটনায় মূল আসামি জোবায়ের হোসেন পাপ্পু (২৯) র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশান-বারিধারা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও একজোড়া হাতমোজা উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-১-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া অফিসার) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিব হাসান জানান, নিহত নাঈম কিবরিয়া ৩১ ডিসেম্বর রাতে তার আত্মীয় রাকিবুল ইসলাম শামীনের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ওই রাত ৯টার দিকে নাঈমের আত্মীয়ের ব্যবসায়িক পার্টনার মোতালেব মিয়া প্রাইভেট কার নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বের হলে অজ্ঞাতনামা মোটরবাইকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এবং এটি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
ঘটনার সময় অন্য মোটরবাইকে থাকা অজ্ঞাতনামা কয়েকজন আসামি নাঈম কিবরিয়াকে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে নামিয়ে বিভিন্ন স্থানে মারধর করে। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে রাকিবুল ইসলাম নাঈমকে রাস্তার পাশে উদ্ধার করে। তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নাঈম কিবরিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগীর বাবা ভাটারা থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-০১/১)। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রোববার সন্ধ্যায় র্যাব-১ মূল আসামি জোবায়ের হোসেন পাপ্পুকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভাটারা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জোবায়ের হোসেন পাপ্পু নিজের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। র্যাব অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্যও তৎপর রয়েছে।
নাঈম কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। ঘটনায় দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে র্যাব ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।










