হাইকোর্টে শপথ নিলেন নবনিযুক্ত ২৫ বিচারপতি

আজকের প্রথা প্রতিবেদন
আজকের প্রথা প্রতিবেদন
২৬ আগস্ট, ২০২৫ এ ১০:৩১ এএম
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নবনিযুক্ত ২৫ জন বিচারপতি শপথ গ্রহণ করছেন, প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদের শপথবাক্য পাঠ করাচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নবনিযুক্ত ২৫ জন বিচারপতি শপথ গ্রহণ করছেন, প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদের শপথবাক্য পাঠ করাচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নবনিযুক্ত ২৫ জন বিচারপতি শপথ গ্রহণ করেন। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে শপথ কার্যক্রম পরিচালনা করেন হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (বিচার) মোয়াজ্জেম হোসাইন।

সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়, তাদের মধ্যে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম (শাহীন), আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মো. নুরুল ইসলাম, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব শেখ আবু তাহের, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাজিউদ্দিন আহমেদ ও ফয়সাল হাসান আরিফ, যুগ্ম সচিব এস এম সাইফুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আসিফ হাসান ও মো. জিয়াউল হকসহ আরও অনেকে।

এছাড়া ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দিহিদার মাসুম কবীর, হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন আরা বেগম, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সচিব মুরাদ–এ–মাওলা সোহেল, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন, সলিসিটর (সিনিয়র জেলা জজ) মো. রাফিজুল ইসলাম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনজুর আলম, মো. লুৎফর রহমান ও রেজাউল করিম, আইনজীবী ফাতেমা আনোয়ার, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদ হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুর রহমান, সৈয়দ হাসান যুবাইর, এ এফ এম সাইফুল করিম, উর্মি রহমান এবং এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদও শপথ গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, সোমবার (২৫ আগস্ট) রাতে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এ ২৫ জনকে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বিচার বিভাগের কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নবনিযুক্ত বিচারপতিদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিচার ব্যবস্থার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এ নিয়োগ একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।